সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালযয়ের পক্ষ থেকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে অভিনন্দন

Image may contain: 5 people, people standing

মেহেরপুর সদর উপজেলার সিএমসি (চাঁদবিল, মারামারি, কোলা) মাধ্যমিক বিদ্যালয়  এমপিওভুক্ত হওয়ায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী কে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শনিবার রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকবৃন্দ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের বাসভবনে উপস্থিত হয় প্রতিমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান।
Image may contain: 3 people, people smiling, people standing

সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক খালিদ হাসান রুমি প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন। এ সময় মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহমেদ চুন্নু সহ সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


Image may contain: 5 people, people standing

সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়


চাঁদবিলের রাস্তাপাড়াতে মনোরম পরিবেশের মধ্যে সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। সিএমসি শব্দের অর্থ চাঁদবিল, ময়ামারী, কোলা; তিনপাশের তিন গ্রামের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই বেসরকারি উদ্যোগে এই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর সদর উপজেলা অফিস থেকে ০৬ কি:মি: পূবে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা প্রধান সড়কের চাঁদবিল গ্রামে প্রধান সড়কের ২০০ গজ উত্তরে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান ভবনের সম্মুখে রয়েছে সুবিশাল খেলার মাঠ, যেখানে বিদ্যালয়ের ছাত্ররা টিফিনের সময় ও বিকালে খেলার সুযোগ পায়, সাথে গ্রামের অন্যান্য ছেলেরাও খেলার সুযোগ পায়। সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমিদান করেন মোঃ আব্দুল্লাহ, পিতা মৃত মজিদ মাস্টার সাং চাঁদবিল।

ইতিহাসঃ এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে জনাব মো: আব্দুল্লাহ (ইঞ্জিনিয়ার) শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবগের সমন্বয়ে ২০০২ ইং সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত করেন। অত্র প্রতিষ্ঠানটি চাঁদবিল, ময়ামারী ও কোলা গ্রামের মধ্যখানে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ উক্ত তিনটি গ্রামের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে সি, এম, সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রাখা হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকঃ মোঃ খালেদ ওমর রুমি।

শিক্ষক ও শিক্ষিকাঃ ০৯ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা ও ০৩ জন কমচারী কর্মরত আছেন।

স্কুলভবনঃ সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমান ৯৬ শতক, মোট ভবন সংখ্যা ৩টি, যার মধ্যে ৮টি কক্ষ আছে, যার মধ্যে একটি অফিস ও অফিসের সাথেই আছে লাইব্রেরী, যেখানে ১৭৬৫টি পুস্তক আছে।

পাশের হারঃ ৯৫%

ছাত্র-ছাত্রীর পরিসংখ্যানঃ এখানে প্রতিবছর ৩৫০ থেকে ৪০০ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনার সুযোগ পাই। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী সর্বমোট ৩৮৭ জন লেখাপড়া করছে এখানে, যার মধ্যে ১৭৭ জন বালক ও ২১০ জন বালিকা লেখাপড়া করে যাদের বেশির ভাগই চাঁদবিল, কোলা ও ময়ামারী গ্রামের। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে সর্বমোট ১২২ জন, যার মধ্যে ৫৭ জন বালক ও ৬৫ জন বালিকা। ৭ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৭৭ জন, যার মধ্যে ৩৭ জন বালক ও ৪০ জন বালিকা। ৮ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৮৪ জন যার মধ্যে ৩১ জন বালক ও ৫৩ জন বালিকা। ৯ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৬৫ জন, যার মধ্যে ৩১ জন বালক ও ৩৪ জন বালিকা। ১০ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৩৯ জন, যার মধ্যে ২১ জন বালক ও ১৮ জন বালিকা। 

বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর পাশের পরিসংখ্যানঃ বিদ্যালয়ের বিগত ৩ বছরের পাশের হার ছিলঃ ২০১১ সালে জেএসসি ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ৪০ জন, পাশের হার ৮৬.৯৫ শতাংশ। ২০১১ সালে এসএসসি ২৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ১৯ জন, পাশের হার ৭৬ শতাংশ। ২০১২ সালে জেএসসি ৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ৪২ জন, পাশের হার ৯৩.৩৩ শতাংশ। ২০১২ সালে এসএসসি ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ২৮ জন পাশের হার ৮২.৩৫ শতাংশ। ২০১৩ সালে জেএসসি ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ৭১ পাশের হার ৯২.২০ শতাংশ। ২০১৩ সালে এসএসসি ২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ২১ পাশের হার ৯৫.৪৫ শতাংশ।

চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্জনঃ ২০১২ সালে আন্তঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় রানার-আপ হয়েছিল।

চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

Chandbill Govt. Primary School

চাঁদবিলের পশ্চিমপাড়াতে চাঁদবিলের বিল সংলগ্ন মনোরম পরিবেশের মধ্যে চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। মেহেরপুর থেকে আসতে ইমপ্যাক্টের মোড়/পশ্চিম পাড়া মোড় থেকে গ্রামের ভিতরে ঢুকে বামে পুকুর ও ডানে খেলার মাঠ, খেলার মাঠ পার হলেই চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৩১ সালে তৎকালীন ইংরেজ আমলে প্রতিষ্ঠিত হয় চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান ভবনের সম্মুখে রয়েছে সুবিশাল খেলার মাঠ, যেখানে বিদ্যালয়ের ছাত্ররা টিফিনের সময় ও বিকালে খেলার সুযোগ পায়, সাথে গ্রামের অন্যান্য ছেলেরাও খেলার সুযোগ পায়। চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিদান করেন মোঃ আব্দুল মান্নান, পিতা মৃত জবেদ আলী সাং চাঁদবিল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাঃ মোছাঃ আফছানা গুলজার।

বিদ্যালয় পরিচালকমণ্ডলীঃ চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি আব্দুল মওদুদ, সহসভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম। 

ছাত্র-ছাত্রীর পরিসংখ্যানঃ এখানে প্রতিবছর ২০০ থেকে ২৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনার সুযোগ পাই। ২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী সর্বমোট ২২৪ জন লেখাপড়া করছে এখানে, যার মধ্যে ১১৭ জন ছেলে ও ৯৭ জন মেয়ে লেখাপড়া করে যাদের বেশির ভাগই চাঁদবিলের। ২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী ১ম শ্রেণীতে সর্বমোট ২৭ জন, যার মধ্যে ১৬ জন বালক ও ১১ জন বালিকা। ২য় শ্রেণীতে সর্বমোট ৩৯ জন, যার মধ্যে ২২ জন বালক ও ১৭ জন বালিকা। ৩য় শ্রেণীতে সর্বমোট ৪৩ জন যার মধ্যে ২৬ জন বালক ও ১৭ জন বালিকা। চতুর্থ শ্রেণীতে সর্বমোট ৫৯ জন, যার মধ্যে ৩৭ জন বালক ও ২২ জন বালিকা। ৫ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৪৬ জন, যার মধ্যে ১৬ জন বালক ও ৩০ জন বালিকা। 

পাশের হারঃ যেখানে প্রতিবছর পাশের হার ৬৫ শতাংশ। 

বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর পাশের পরিসংখ্যানঃ বিদ্যালয়ের বিগত ৫ বছরের পাশের হার ছিলঃ ২০০৮ সালে ৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল যার মধ্যে অংশ গ্রহন করেছিল ৩৫ জন এবং পাশ করেছিল ৩৫ মোট পাশের হার ১০০ শতাংশ। ২০০৯ সালে ১৯ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল যার মধ্যে অংশ গ্রহন করেছিল ১৯ জন এবং পাশ করেছিল ১৮ মোট পাশের হার ৯৬ শতাংশ। ২০১০ সালে ৩৯ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল যার মধ্যে অংশ গ্রহন করেছিল ৩৯ জন এবং পাশ করেছিল ২৫ মোট পাশের হার ৬৬ শতাংশ। ২০১১ সালে ৩২ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল যার মধ্যে অংশ গ্রহন করেছিল ৩২ জন এবং পাশ করেছিল ৩২ মোট পাশের হার ১০০ শতাংশ। ২০১২ সালে ৫২ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল যার মধ্যে অংশ গ্রহন করেছিল ৫২ জন এবং পাশ করেছিল ৩৪ মোট পাশের হার ৬৫ শতাংশ। শিক্ষাবৃত্ত পেয়েছে ৪৫ শতাংশ হারে সর্বমোট ৯৬ জন।

চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্জনঃ ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-এ উপজেলা চ্যাম্পিয়ান ও জেলা রানার্স আপ অর্জন এবং ২০১১ সালে ইউনিয়ন রানার্স আপ ট্রাফি অর্জন করে।

যোগাযোগঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার মোবাইল নং ০১৭১৫-২৫১৫৯৯

অনলাইন শিক্ষার অভিনব পদ্ধতি উদ্ভাবনঃ উদ্ভাবক শামসুজ্জামান রিমন (চাঁদবিলের ছেলে)

Continuing Education Management

বিশ্বের ২৮ কোটি বাংলা ভাষাভাষির জন্য উদ্ভাবিত হয়েছে অভিনব অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতি। কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে ঘরে বসেই ক্লাস, লাইব্রেরি, পরীক্ষা ও সরাসরি শিক্ষকের সহায়তা পাওয়া সম্ভব। বিডি ছাত্রডটকম নামের ওয়েবসাইট থেকে এসব সুবিধা পাওয়া যাবে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে আরবিএস টেক লিমিটেড নামের স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠান। এর স্বত্বাধিকারি শামসুজ্জামান রিমন। তাদের উদ্যোগেই সমপ্রতি এ ওয়েবসাইটটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের কারিগরি সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে ওই সাইট। শিক্ষাপিপাসুরা বিনামূল্যেই সাইট থেকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। শুধু শিক্ষার্থী নয় শিক্ষকরাও এ থেকে উপকৃত হতে পারেন। শিগগিরই বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাইটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। সাইটটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ৪ ভাগে ভাগ করে সাজিয়েছে। এগুলো হচ্ছে- প্রাথমিক ধাপ, মাধ্যমিক ধাপ, উচ্চ মাধ্যমিক ধাপ ও উচ্চতর শিক্ষা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে তারাই প্রথমবারের মতো শিক্ষা ব্যবস্থায় এ ধরনের বিশাল পরিসরে সাজিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ওয়েব সাইটটি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে তৈরি হচ্ছে না, দেশের বৃহত্তম স্বার্থের কথা চিন্তা করেই এটা তৈরি করা হচ্ছে। বিডি ছাত্রডটকম ওয়েবসাইটের শিক্ষা উপকরণ দ্বারা গ্রাম ও শহরে দরিদ্র ও ধনী সকলে পাবে অভিন্ন ও চমৎকার শিক্ষা উপকরণসহ শিক্ষা পদ্ধতি। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির যুগে সকল ছাত্রছাত্রী পাবে জ্ঞানচর্চার জন্য সহজ ও সুন্দর এবং খুব তাড়াতাড়ি শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধান। এতে ১ম শ্রেণী হতে শুরু করে স্নাতকোত্তর শ্রেণী পর্যন্ত সকল ছাত্রছাত্রীর জন্য বিভিন্ন প্রশ্নের সহজ সুন্দর ও মননশীল সমাধানসহ গাইড লাইন সরবরাহ করবে। এতে আরও আছে ই-ইডুকেশন সিস্টেম। এর মাধ্যমে কয়েক মিনিটের মধ্যে শিক্ষার্থীরা সব জটিল প্রশ্নের সহজ ও সাবলীল সমাধান পাবেন। এতে আরও আছে ভিডিও ইডুকেশন পদ্ধতি। এর মাধ্যমে ঘরে বসে পাওয়া যাবে দেশের বিভিন্ন ভাল বিদ্যালয়ের মানসম্পন্ন শিক্ষকের গুণগতমানের উন্নত শিক্ষাদান পদ্ধতি। এছাড়াও রয়েছে প্রশ্ন সমস্যা সমাধানের জন্য তৎক্ষণাৎ ম্যাসেজিং বা চ্যাটিং পদ্ধতি। এতে শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটের চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে খুব সহজেই সমাধান করতে পারবে। এজন্য ওয়েবসাইটে সার্বক্ষণিক থাকবেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ স্বনামধন্য শিক্ষক। নতুন এ পদ্ধতিতে বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। তারা ঘরে বসে বা সাইবার ক্যাফের দোকানগুলোতে গিয়ে খুব সহজে এবং দ্রুত ওয়েবসাইটে ঢুকে ফ্রি মডেল টেস্টে পরীক্ষা দিতে পারবে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করার পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে পিএইচ-ডি পর্যন্ত উচ্চতর শিক্ষার ধাপ সংযুক্ত হয়েছে এই ওয়েবসাইটটিতে। এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করার পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে স্পেশাল ফ্রি মডেল টেস্ট পরীক্ষার ব্যবস্থা। পাশাপাশি বিসিএস, ব্যাংক এবং বিভিন্ন চাকরি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ঘরে বসে কোচিং ও উন্নতমানের মডেল টেস্ট পরীক্ষার সুবিধা। এদিকে ওয়েবসাইটে আছে অনলাইন লাইব্রেরি যেখানে ১ম শ্রেণী থেকে পিএইচ-ডি পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর জন্য বই ও বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ।

এ প্রসঙ্গে সাইটটির উদ্ভাবক শামসুজ্জামান রিমন বলেন, বিডি ছাত্রডটকম হতে যাচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ ও আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি ও অফুরন্ত শিক্ষা উপকরণের অন্যতম সামাজিক ওয়েবসাইট। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি, অর্থনৈতিক, শিক্ষা, সংস্কৃতিতে সবার আগে দ্রুত বিশ্বের সকল দেশের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বংশানুক্রমিক পেশাগত বৃত্তি অবলম্বন করে নিশ্চিত জীবনযাপনের দিন এখন নেই বললেই চলে। তিনি বলেন, সাইটটি দেশের উন্নতি ও ছাত্রছাত্রীদের জ্ঞান ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে। সমপূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এটা তৈরি করা হয়েছে। সরকারি অনুদান পেলে সাইটটিকে হয়তো আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। সূত্রঃ মানবজমিন

চাঁদবিলের পণ্যের কদর দেশজুড়ে


মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামের পালবাড়ির তৈরি মাটির তৈজসপত্রের কদর দেশজুড়ে। এঁটেল মাটি দিয়ে তৈরি মুড়িভাজা হাঁড়ি, রুটি বানানোর তাওয়া, মালসা পানির কলস, ফুলের টব, ফুলদানি দেব-দেবীর মূর্তিসহ ঘর সাজানোর বিভিন্ন তৈজসপত্রের কদর শুধু প্রত্যন্ত জনপদের মানুষের কাছে নয় বরং সুদূর যশোর খুলনাসহ ঢাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। কালের বিবর্তনে আধুনিক প্রযুক্তির উৎপাদিত অ্যালুমিনিয়াম আর প্লাস্টিকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এখনো প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার বাপ-দাদার পেশা আঁকড়ে ধরে আছেন। মেহেরপুর শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরের আমঝুপি ইউনিয়নের জনপদ চাঁদবিল। এই গ্রামের নারী-পুরুষ সবাই কাঁদা-মাটির গন্ধমাখা শরীর। এদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয় মাটির নানা তৈজসপত্র। মাটির হাঁড়ি, সরা, ভাড়, কলস, রসের কলসি, তাওয়া, নান্দা, ফুলের টব, দেব- দেবীর মূর্তিসহ আরও কত কিছু। প্লাস্টিক আর অ্যালুমিনিয়ামের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তাদের তৈরি তৈজসপত্রের মান ও চাহিদা এখনো সমান তালে। বয়সের ভারে ক্লান্ত চাঁদবিলের বিষ্ণু পাল। আজও বাপ-দাদার পেশা নিয়ে বেঁচে আছেন। নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি করছেন নানা তৈজসপত্র। তিনি বলেন, ১৯৫৪ সাল থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছেন এবং মাটির মায়ায় জড়িয়ে আছেন। নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি করছেন বিভিন্ন তৈজসপত্র। আর এসব তৈজসপত্র দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারি ক্রেতারা। জগন্নাথ পালের স্ত্রী সুমিতা পাল জানান, কিশোর বয়সে বাবা-মা'র দেখাদেখি এই কুমোর পেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। রাত-দিন কাদামাটির কাজ করে মাটির মানুষ হয়ে গেছেন তিনি। সংসারে ৬ মেয়ে ২ ছেলে। এই পেশার আয় থেকে তিনি দুই বিঘা জমি কিনেছেন, পাকা দালান গড়েছেন। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করাচ্ছেন। তিনি বলেন, আগে মাটি এমনিই পাওয়া যেত। এখন মাটি কিনতে হয় বলে তাদের উৎপাদিত সামগ্রীর দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবীণ কুমোর হিসেবে পরিচিত হৈমন্তি পাল ও তার স্ত্রী কাবরুলী বালা এখনো এ পেশায় নিয়োজিত। ছেলে জিতেন গ্রামে কামলা খাটার পাশাপাশি এ কাজ করেন। হৈমন্তি পাল মাটির পাত্র তৈরি করেন আর আধা শুকনো হলে তাতে নানা রকমের নকশা করেন স্ত্রী কাবরুলী বালা। এদের কাজে নিপুণতা ও সৌন্দর্য আছে। তাদের ডোরাকাটা ফুলের টবের চাহিদা আছে। তাদের তৈরি টব ঢাকা, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে এসে কিনে নিয়ে যায়। নবীন পাল জানান, মাটির তৈরি অন্যান্য জিনিসের পাশাপাশি বেড়েছে পোড়ামাটির রিংয়ের চাহিদা। স্বল্প খরচে ভূগর্ভস্থ ট্যাংক তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে এই রিং দিয়ে। যেখানে ইট, বালি, সিমেন্ট দিয়ে একটি ট্যাংক তৈরি করতে খরচ হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। সেখানে রিং দিয়ে সমপরিমাণ ট্যাংক তৈরি করতে খরচ হয় সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। যার কারণে মানুষের কাছে রিংয়ের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। আমঝুপি ইউনিয়নের প্রবীণ ব্যবসায়ী রাশেদুল ইসলাম বাবলু জানান, আমঝুপির চাঁদবিল গ্রামের কুমোরদের তৈরি সামগ্রীর এলাকায় যথেষ্ট চাহিদা। মানও ভালো। এ জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এই গ্রামে এসে বিভিন্ন সামগ্রী কিনে নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্রি করে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশিক্ষণ এবং বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করা গেলে এই কুমোরদের ব্যস্ততা আরও বেড়ে যাবে এবং এখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

চাঁদবিলে ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের নার্সিং ইন্সিটিউট উদ্বোধন


নার্সিং ট্রেনিং নিতে এখন আর কাউকে ঢাকা কিংবা বাইরের জেলায় যেতে হবে না। মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিলে অবস্থিত ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন জীবন মেলা হেলথ কেয়ার ভবনে শুরু হয়েছে নার্সিং ট্রেনিং কার্যক্রম। আজ সোমবার দুপুরে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স ও মিডওফারী কোর্সের প্রথম ব্যাচের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের ডাঃ শাফিউল কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত  সিভিল সার্জন ডাঃ মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাঃ তাপস কুমার সরকার। উপস্থিত ছিলেন ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডাঃ হাসিব মাহমুদ, সিনিয়ার প্রোগ্রাম এডভাইজার ডাঃ প্রদীপ সেন গুপ্ত, ইম্প্যাক্ট চুয়াডাঙ্গা প্রোগ্রামের প্রশাসক ডাঃ সাইফুল ইমাম, প্রোগ্রাম কনসাল্টটেন্ট মোঃ আলাউদ্দিন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উপজেলা ম্যানেজার শামীম আহাম্মেদ ও সোহেল আহাম্মেদ।

এখন থেকে প্রতি বছর ২০ জন করে ছাত্রী, দেশী বিদেশী নার্সিং পেশায় উজ্জল ভবিষ্যত গড়তে আন্তর্জাতিক মানের ডিপ্লোমা ইন-নাসিং কোর্স করা সুযোগ পাবে। সূত্রঃ মেহেরপুর নিউজ ২৪ ডটকম

চাঁদবিলে হীরক দ্যুতি

প্রথাগত ধারণার বাইরে থেকে, নতুন কিছু করতে ইচ্ছা থাকে অনেকেরই। কিন্তু, কেউ সুযোগ পায়, কেউ পায় না, যারা পায় তারা ভাগ্যবান, কিন্তু যারা নিজের সুযোগ নিজেরা তৈরি করে নেয়, তারা? একমাত্র তাঁরা পারে সমাজকে বদলে দিতে। হোক সেটা ক্ষুদ্র পরিসরে, হোক সেটা বৃহৎ পরিসরে। এইরকম হাটি, হাটি, পা, পা করে এগিয়ে চলা এক স্বউদ্যমী মানুষের নাম মুন্সী জাহাঙ্গীর জিন্নাত। সদালাপী, সদা হাস্যজ্জল, কর্মঠ এই মানুষটি মেহেরপুর জেলার চাঁদবিল গ্রামের ইউনিক সফটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, এটি একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং এবং আইটি অফশোরিং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান (বি. পি. ও) সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।

সূত্রঃ সমকাল