আমঝুপিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন


 মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি বাজারে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে।


বুধবার সকালে আমঝুপি  বাজারের ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং এর আউটলেট শাখার উদ্বোধন  উপলক্ষে  প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক মেহেরপুর জেলা শাখার ম্যানেজার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।


তৃনমূল পর্যায়ে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ইউনিক এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান মুন্সি জাহাঙ্গীর জিন্নাত হিরোক’র উদ্যোগে আমঝুপি বাজারের রিয়াদ প্লাজার ২য় তলায় ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এর উদ্বোধন করা হলো।



 

বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক মেহেরপুর জেলা শাখার ম্যানেজার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট আমঝুপি শাখার উদ্বোধন করেন।


প্রধান অতিথি‘র বক্তব্যে মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জনসাধারণের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে তৃনমূল পর্যায়ে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট শাখা দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি বাজারে আরো একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট শাখার উদ্বোধন করা হলো। মূল শাখার যাবতীয় কর্মকান্ড এজেন্ট শাখার মাধ্যমে করা যাবে। যেমন: ব্যাংক হিসাব খোলা, নগদ টাকা জমা ও উত্তোলন, বৈদেশিক রেমিটেন্স-এর অর্থ প্রদান, ইসলামী ব্যাংকের যে কোন অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার, অন্য ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার, অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স অনুসন্ধান ও সংক্ষিপ্ত বিবরণী, ডেবিট ও খিদমাহ কার্ডের আবেদন গ্রহন, ক্ষুদ্র ও কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ ও আদায়, ইউটিলিটি বিল গ্রহন, ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম সংগ্রহ, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন কল্যাণমূলক ভাতা প্রদান সহ বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত যেকোন গ্রাহক সেবা এই এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট শাখার মাধ্যমে করা যাবে।


এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক মেহেরপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার এস এম আনসারুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মুন্সি আবু সালেহ, আমঝুপি ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সেলিম রেজা, আমঝুপি বাজার কমিটির কোষাধ্যক্ষ সানি আযিম। সমাপনী বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট আমঝুপি শাখার প্রোপাইটর ও ইউনিক এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান আইটি বিশেষজ্ঞ মুন্সি জাহাঙ্গীর জিন্নাত হিরোক। আমঝুপি শাখার এজেন্ট ও ইউনিক এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান মুন্সি জাহাঙ্গীর জিন্নাত হিরোক বলেন, আপনাদের ব্যাংকিং সুবিধা হাতের নাগালে দিতে আমার এই উদ্যোগ। ইসলামী ব্যাংকের সকল সুবিধা এখন থেকে এখানেই পাবেন। এসময় তিনি আমঝুপি শাখার দ্রুত সাফল্যের জন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। পরে দোয়া পরিচালনা করেন চাঁদবিল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ইমাম মুহাম্মদ মাওলানা আব্দুল বারী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইসলামী ব্যাংক মেহেরপুর শাখার অফিসার আব্দুল মোঈন।

মেহেরপুরের চাঁদবিলের জাহাঙ্গীর আলমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন




করোনা ভাইরাসের কারণে মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম পুটু এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

জাহাঙ্গীর আলম তার নামানুসরে সদর উপজেলার কোলার মোড়ে জাহাঙ্গীর মার্কেটের ১০ টি দোকান ব্যবসায়ীকে এক মাসের ভাড়া মওকুফ করে এই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

জাহাঙ্গীর আলম পুটু জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে সারাদেশের ন্যায় মেহেরপুরের চাঁদবিল – কোলার মোড়  তার দশটি দোকান ভাড়া দেওয়া আছে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে কদিন যাবত বন্ধ রাখার কারণে ওই দোকানের মালিকরা একপ্রকার বেকার জীবনযাপন করছে।

যে কারণে তিনি এক মাসের ভাড়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। জাহাঙ্গীর আলম আরোও বলেন, আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ব্যবসায়ীদের কাজে লাগলে আমিও খুশি হব।

মেহেরপুরের চাঁদবিলে মেয়াদ না থাকায় বিস্কুট বিনষ্ট

মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামে মেয়াদ না থাকায় বিস্কুট নষ্ট করা হয়েছে।  সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা স্যানেটারি ইন্সেপেক্টার তারিকুল ইসলাম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা গেছে, সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামে ফেরি করে বিস্কুট বিক্রি করা এক ব্যবসায়ীর কাছে বিস্কুটের মেয়াদ না থাকায় সদর উপজেলার স্যানেটারি অফিসের একটি টিম বিস্কুট গুলো উদ্ধার করে নষ্ট করে দেন।

মেহেরপুরের চাঁদবিলে নিটল টাটার শোরুম উদ্বোধন



রবিবার সন্ধ্যায় আমঝুপি ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন চুন্নু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শো রুমের উদ্বোধন করেন। মের্সাস অয়ন মটরস এর স্বত্ত্বাধিকারী মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেহেরপুর জেলা ট্রাক মালিক গ্রæপের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান, সদস্য রফিকুল ইসলাম, নিটল টাটা মটরস এর সিআর কো-অর্ডিনেটর বিপ্লব হোসেন প্রমুখ । 

মেহেরপুরে চাঁদবিলে মৎস্য আহরণের উদ্বোধন



মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিলে মৎস্য আহরনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে চাাঁদ বিলের মাছ ধরার মধ্যে দিয়ে মৎস আহরণের শুভ সুচনা করা হয়। চাঁদবিল জল মলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি খুদিরাম হালদার, সাধরণ সম্পাদক আব্বাস আলী উপস্থিত থেকে মাছ আহরণ শুরু করেন। এসময় মৎস্য জীবি খামশেদ আলী সহ চাঁদবিল জল মহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্যগন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সবজি রাজ্যের মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামের ছালেহা বেগম ও সফলতা

অবহেলিত নারীর জীবন সংগ্রামের দৃষ্টান্ত হতে পারেন জেলার সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামের ছালেহা বেগম। স্বামীর অবহেলাকে তোয়াক্কা না করে উঠানের পাশে জমিতে গড়ে তুলেছেন রকমারি সবজির বাগান। এলাকাবাসী বাগানটির নাম দিয়েছে ছালেহা বেগমের জীবন্ত সবজি বাজার।



সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামের ছালেহা বেগমের বিবাহিত জীবনের প্রথমদিকটা খারাপ ছিল না। কিন্তু ১০ বছর আগে স্বামী লিয়াকত আলী অন্যত্র বিয়ে করে বিদেশ চলে যান। এরপর ঠাঁই হয় বাবার বাড়িতে। বাবা ও ভাইদের কাছ থেকে পান একটি ছোট বাড়ি ও বাড়ি সংলগ্ন এক টুকরো জমি। ওই টুকরো জমিতে গড়ে তোলেন বিভিন্ন সবজিসহ ফলের বাগান। সবজি বিক্রি করে মাসে ৫-৬ হাজার টাকা আয় হয়। ফল বিক্রি করে বছরে আরও ২৫-৩০ হাজার টাকা আয় হয়। নিজের খরচ বাদে ওই টাকা দিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নাতনী তামান্নাকে সহায়তা করে আসছেন। এ সফলতা দেখে স্বামী তার সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে জানান।



ছালেহা খাতুন বলেন, স্বামী আমাকে ফেলে বিদেশ চলে যাওয়ার পর থেকে বাবার বাড়িতে এসে পৌনে দুই বিঘা জমির উপরে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করি। এখন এ সবজি চাষ থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে আমি চলি এবং তামান্নাকে সহযোগিতা করি। তিনি আরও বলেন, আমার বাগানের সবজি বিষমুক্ত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাহিদা। যার কারণে আমাকে সবজি বিক্রি করতে বাজারে যাওয়া লাগে না। বাড়ি থেকেই বিক্রি হয়ে যায়।



সবজি কিনতে আসা রেখা খাতুন জানান, আমরা এখান থেকে প্রতিদিন সবজি কিনে নিয়ে যাই। বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকলেও আমাদের সমস্যা হয় না। বাড়িতে কোনো মেহমান আসলে তাৎক্ষণিক নিজ হাতে সবজি তুলে নিয়ে যাই। এ ছাড়া সবজিতে কোনো প্রকার বিষ দেওয়া থাকে না, এ কারণে আমরা বিষমুক্ত সবজি খেতে পারি। আরেক প্রতিবেশী শেফালী খাতুন জানান, সালেহার সবজি বাজারটা হওয়ায় এলাকার অনেকের উপকার হয়েছে। আমাদের যখন মন চায় আমরা ইচ্ছামতো সবজি এখান থেকে কিনে নিতে পারি। আমাদের বাড়ির আঙ্গিনায় যদি এ ধরনের জমি থাকত তাহলে আমিও সবজির আবাদ করতাম। এখন গ্রামের অনেক গৃহবধূ বাড়ির আঙ্গিনায় সবজি চাষ শুরু করেছেন। 

ছালেহা খাতুনের নাতনী শাহেনা আক্তার তামান্না মোবাইলে জানান, নানী প্রতি মাসে লেখাপড়ার খরচ বাবদ আড়াই হাজার টাকা দেন। তিনি জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন, এখন অনেক ভালো আছেন।

ছালেহার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে কৃষি বিভাগ। সদর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, আমরা কৃষি বিভাগ সালেহা বেগমের সবজি চাষে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছি। আমঝুপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামের সালেহা বেগম নিজ উদ্যোগে তার বসত বাড়ির আঙ্গিনাসহ আশপাশে সবজি চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এটি নজিরবিহীন। আমার ইউনিয়নসহ সারা জেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে যদি একজন করে সালেহা বেগম থাকেন, তাহলে আমাদের দেশের খাদ্য ঘাটতিসহ পুষ্টিহীনতা দূর হবে।

সুত্রঃ অপরাজিতাবিডি ডটকম

মেহেরপুরের চাষিরা লাউ চাষে সচ্ছল

লাউ চাষ করে ভাত-কাপড়ের সংস্থান করেছেন মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের চাষিরা। ধান-গম চাষ করে যখন চাষিরা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন, তখন লাউ চাষ তাদের কাছে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। লাউ চাষ তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। এখন লাউ বিক্রি করে ছেলেমেয়ের লেখাপড়া করাচ্ছেন তারা। কেউ করেছেন বাড়ি। আবার কেউ কিনেছেন গাড়ি।

মেহেরপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি বছরে মেহেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ৪৭৫ বিঘা জমিতে লাউ চাষ হয়েছে। লাউয়ের ফলনও ভালো হয়েছে। ভালো ফলন কৃষকের মনে আনন্দ এনেছে।

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের মদনাডাঙ্গা, আমঝুপি, সুবিদপুর, চাঁদবিল তেরোঘরিয়াসহ কয়েকটি গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায় মাঠের পর মাঠে চাষ হয়েছে লাউ।



চোখেমুখে আনন্দ নিয়ে কেউ লাউখেত পরিচর্যা করছেন। কেউ তুলছেন খেত থেকে লাউ। কথা হয় পুরাতন মদনা গ্রামের বেনাগাড়ীর মাঠে লাউখেত পরিচর্যাকারী চাষি রবিউল ইসলামের সঙ্গে। তিনি সাত-আট বছর ধরে লাউ চাষ করছেন।
তিনি জানান, লাউ চাষে তার ভাগ্য ফিরেছে। ২ বিঘা জমি বিক্রি করে বিদেশে গেলেও টাকা ওঠাতে পারেননি। দেশে ফিরে লাউ চাষ করে আবারও ২ বিঘা জমি কিনেছেন। তিনি এ বছর দেড় বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছেন। ছেলেমেয়ে নিয়ে তার ছয়জনের সংসার ভালোভাবে চলছে।

তার পাশে ছিলেন আরো এক লাউচাষি নাজিরুল ইসলাম। তিনি ওই গ্রামের চাঁদ আলীর ছেলে।

তিনিও জানান, লাউ চাষ করে তিনি ভালো আছেন।

রবিউল ইসলাম পৌষ মাসে লাউ চাষ করেছেন। গত বছর তিনি এক বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছিলেন। এ বছর তিনি দেড় বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছেন। জমি চাষ থেকে লাউ তোলা পর্যন্ত তার ১২ হাজার টাকা খরচ হবে। এক মাস আগে থেকে লাউ তোলা ও বিক্রি করা চলছে তার খেত থেকে। সামনে আরো দুই মাস লাউ বিক্রি করা যাবে। ইতিমধ্যে লাউ চাষের খরচ উঠে গেছে। সামনের দুই মাসে লাউ বিক্রির যে টাকা পাবেন সেটাই তার লাভ হবে। তিনি মনে করেন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কম করে হলেও তিনি ৫০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করতে পারবেন।

খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, পুরাতন মদনাডাঙ্গা গ্রামের জয়নাল এ বছর এক বিঘা ৫ কাঠা, হযরত আলী ১০ কাঠা, মুরাদ আলী এক বিঘা, আবদুল মালেক এক বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছেন। আবদুল মালেক গেল বছরে ২ বিঘা জমিতে লাউ করেছিলেন। এতে তিনি ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছিলেন।

চাষিদের খেতে উৎপাদিত লাউ জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি হয় বলে জানালেন চাষিরা।

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম একজন ভালো সবজিচাষি।
তিনি জানালেন, ধান-পাট ও গম চাষ করে দাম না পেয়ে প্রতিবছরই এলাকার চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই এ এলাকার চাষিরা সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। তিনি মনে করেন এক যুগ আগেও এলাকার চাষিরা ছিলেন ঋণগ্রস্ত। বর্তমানে এলাকার চাষিরা পাকা বাড়ি করেছেন। ঘরে ঘরে একটি করে মোটরসাইকেল কিনেছেন। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শোখাচ্ছেন। অভাব তাদের ছুঁতে পারছে না।

মেহেরপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন, লাউসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে মেহেরপুর এলাকার চাষিরা সচ্ছলতা ফিরিয়েছেন। এতে কৃষি বিভাগও খুশি। কৃষকদের এসব সবজিতে রোগবালাই দমন ও প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিজ নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত ছুটছেন। চাষিদের এসব সবজি যাতে বিষমুক্ত হয় সে বিষয়েও কৃষি বিভাগ তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

সুত্রঃ রাইজিংবিডি ডট কম

মেহেরপুরের চাঁদবিল জলমহলকে মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষনা

মেহেরপুরের চাঁদবিল জলমহলকে মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। আজ বিকেলে জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম ঐ বিলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের পোন অবমুক্ত করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনুল হাসান, সহকারী কমিশনার শাহিনুজ্জামন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান, জেলা মৎস্য অফিসার শেখ মোহাম্মদ মেজবাহুর হক। একশ ২০ কেজি রুই, কাতলা, মৃগেল সহ বিভিন্ন দেশীয় জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। সূত্রঃ মেহেরপুর নিউজ ২৪

সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়


চাঁদবিলের রাস্তাপাড়াতে মনোরম পরিবেশের মধ্যে সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। সিএমসি শব্দের অর্থ চাঁদবিল, ময়ামারী, কোলা; তিনপাশের তিন গ্রামের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই বেসরকারি উদ্যোগে এই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর সদর উপজেলা অফিস থেকে ০৬ কি:মি: পূবে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা প্রধান সড়কের চাঁদবিল গ্রামে প্রধান সড়কের ২০০ গজ উত্তরে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান ভবনের সম্মুখে রয়েছে সুবিশাল খেলার মাঠ, যেখানে বিদ্যালয়ের ছাত্ররা টিফিনের সময় ও বিকালে খেলার সুযোগ পায়, সাথে গ্রামের অন্যান্য ছেলেরাও খেলার সুযোগ পায়। সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমিদান করেন মোঃ আব্দুল্লাহ, পিতা মৃত মজিদ মাস্টার সাং চাঁদবিল।

ইতিহাসঃ এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে জনাব মো: আব্দুল্লাহ (ইঞ্জিনিয়ার) শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবগের সমন্বয়ে ২০০২ ইং সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত করেন। অত্র প্রতিষ্ঠানটি চাঁদবিল, ময়ামারী ও কোলা গ্রামের মধ্যখানে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ উক্ত তিনটি গ্রামের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে সি, এম, সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রাখা হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকঃ মোঃ খালেদ ওমর রুমি।

শিক্ষক ও শিক্ষিকাঃ ০৯ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা ও ০৩ জন কমচারী কর্মরত আছেন।

স্কুলভবনঃ সিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমান ৯৬ শতক, মোট ভবন সংখ্যা ৩টি, যার মধ্যে ৮টি কক্ষ আছে, যার মধ্যে একটি অফিস ও অফিসের সাথেই আছে লাইব্রেরী, যেখানে ১৭৬৫টি পুস্তক আছে।

পাশের হারঃ ৯৫%

ছাত্র-ছাত্রীর পরিসংখ্যানঃ এখানে প্রতিবছর ৩৫০ থেকে ৪০০ জন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনার সুযোগ পাই। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী সর্বমোট ৩৮৭ জন লেখাপড়া করছে এখানে, যার মধ্যে ১৭৭ জন বালক ও ২১০ জন বালিকা লেখাপড়া করে যাদের বেশির ভাগই চাঁদবিল, কোলা ও ময়ামারী গ্রামের। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে সর্বমোট ১২২ জন, যার মধ্যে ৫৭ জন বালক ও ৬৫ জন বালিকা। ৭ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৭৭ জন, যার মধ্যে ৩৭ জন বালক ও ৪০ জন বালিকা। ৮ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৮৪ জন যার মধ্যে ৩১ জন বালক ও ৫৩ জন বালিকা। ৯ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৬৫ জন, যার মধ্যে ৩১ জন বালক ও ৩৪ জন বালিকা। ১০ম শ্রেণীতে সর্বমোট ৩৯ জন, যার মধ্যে ২১ জন বালক ও ১৮ জন বালিকা। 

বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর পাশের পরিসংখ্যানঃ বিদ্যালয়ের বিগত ৩ বছরের পাশের হার ছিলঃ ২০১১ সালে জেএসসি ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ৪০ জন, পাশের হার ৮৬.৯৫ শতাংশ। ২০১১ সালে এসএসসি ২৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ১৯ জন, পাশের হার ৭৬ শতাংশ। ২০১২ সালে জেএসসি ৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ৪২ জন, পাশের হার ৯৩.৩৩ শতাংশ। ২০১২ সালে এসএসসি ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ২৮ জন পাশের হার ৮২.৩৫ শতাংশ। ২০১৩ সালে জেএসসি ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ৭১ পাশের হার ৯২.২০ শতাংশ। ২০১৩ সালে এসএসসি ২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছিল এবং পাশ করেছিল ২১ পাশের হার ৯৫.৪৫ শতাংশ।

চাঁদবিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্জনঃ ২০১২ সালে আন্তঃ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় রানার-আপ হয়েছিল।

চাঁদবিলের পণ্যের কদর দেশজুড়ে


মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামের পালবাড়ির তৈরি মাটির তৈজসপত্রের কদর দেশজুড়ে। এঁটেল মাটি দিয়ে তৈরি মুড়িভাজা হাঁড়ি, রুটি বানানোর তাওয়া, মালসা পানির কলস, ফুলের টব, ফুলদানি দেব-দেবীর মূর্তিসহ ঘর সাজানোর বিভিন্ন তৈজসপত্রের কদর শুধু প্রত্যন্ত জনপদের মানুষের কাছে নয় বরং সুদূর যশোর খুলনাসহ ঢাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। কালের বিবর্তনে আধুনিক প্রযুক্তির উৎপাদিত অ্যালুমিনিয়াম আর প্লাস্টিকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এখনো প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার বাপ-দাদার পেশা আঁকড়ে ধরে আছেন। মেহেরপুর শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরের আমঝুপি ইউনিয়নের জনপদ চাঁদবিল। এই গ্রামের নারী-পুরুষ সবাই কাঁদা-মাটির গন্ধমাখা শরীর। এদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয় মাটির নানা তৈজসপত্র। মাটির হাঁড়ি, সরা, ভাড়, কলস, রসের কলসি, তাওয়া, নান্দা, ফুলের টব, দেব- দেবীর মূর্তিসহ আরও কত কিছু। প্লাস্টিক আর অ্যালুমিনিয়ামের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তাদের তৈরি তৈজসপত্রের মান ও চাহিদা এখনো সমান তালে। বয়সের ভারে ক্লান্ত চাঁদবিলের বিষ্ণু পাল। আজও বাপ-দাদার পেশা নিয়ে বেঁচে আছেন। নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি করছেন নানা তৈজসপত্র। তিনি বলেন, ১৯৫৪ সাল থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছেন এবং মাটির মায়ায় জড়িয়ে আছেন। নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি করছেন বিভিন্ন তৈজসপত্র। আর এসব তৈজসপত্র দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারি ক্রেতারা। জগন্নাথ পালের স্ত্রী সুমিতা পাল জানান, কিশোর বয়সে বাবা-মা'র দেখাদেখি এই কুমোর পেশার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। রাত-দিন কাদামাটির কাজ করে মাটির মানুষ হয়ে গেছেন তিনি। সংসারে ৬ মেয়ে ২ ছেলে। এই পেশার আয় থেকে তিনি দুই বিঘা জমি কিনেছেন, পাকা দালান গড়েছেন। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করাচ্ছেন। তিনি বলেন, আগে মাটি এমনিই পাওয়া যেত। এখন মাটি কিনতে হয় বলে তাদের উৎপাদিত সামগ্রীর দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রবীণ কুমোর হিসেবে পরিচিত হৈমন্তি পাল ও তার স্ত্রী কাবরুলী বালা এখনো এ পেশায় নিয়োজিত। ছেলে জিতেন গ্রামে কামলা খাটার পাশাপাশি এ কাজ করেন। হৈমন্তি পাল মাটির পাত্র তৈরি করেন আর আধা শুকনো হলে তাতে নানা রকমের নকশা করেন স্ত্রী কাবরুলী বালা। এদের কাজে নিপুণতা ও সৌন্দর্য আছে। তাদের ডোরাকাটা ফুলের টবের চাহিদা আছে। তাদের তৈরি টব ঢাকা, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে এসে কিনে নিয়ে যায়। নবীন পাল জানান, মাটির তৈরি অন্যান্য জিনিসের পাশাপাশি বেড়েছে পোড়ামাটির রিংয়ের চাহিদা। স্বল্প খরচে ভূগর্ভস্থ ট্যাংক তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে এই রিং দিয়ে। যেখানে ইট, বালি, সিমেন্ট দিয়ে একটি ট্যাংক তৈরি করতে খরচ হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। সেখানে রিং দিয়ে সমপরিমাণ ট্যাংক তৈরি করতে খরচ হয় সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। যার কারণে মানুষের কাছে রিংয়ের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। আমঝুপি ইউনিয়নের প্রবীণ ব্যবসায়ী রাশেদুল ইসলাম বাবলু জানান, আমঝুপির চাঁদবিল গ্রামের কুমোরদের তৈরি সামগ্রীর এলাকায় যথেষ্ট চাহিদা। মানও ভালো। এ জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এই গ্রামে এসে বিভিন্ন সামগ্রী কিনে নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্রি করে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশিক্ষণ এবং বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা করা গেলে এই কুমোরদের ব্যস্ততা আরও বেড়ে যাবে এবং এখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

চাঁদবিলে ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের নার্সিং ইন্সিটিউট উদ্বোধন


নার্সিং ট্রেনিং নিতে এখন আর কাউকে ঢাকা কিংবা বাইরের জেলায় যেতে হবে না। মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিলে অবস্থিত ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন জীবন মেলা হেলথ কেয়ার ভবনে শুরু হয়েছে নার্সিং ট্রেনিং কার্যক্রম। আজ সোমবার দুপুরে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স ও মিডওফারী কোর্সের প্রথম ব্যাচের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের ডাঃ শাফিউল কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত  সিভিল সার্জন ডাঃ মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাঃ তাপস কুমার সরকার। উপস্থিত ছিলেন ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডাঃ হাসিব মাহমুদ, সিনিয়ার প্রোগ্রাম এডভাইজার ডাঃ প্রদীপ সেন গুপ্ত, ইম্প্যাক্ট চুয়াডাঙ্গা প্রোগ্রামের প্রশাসক ডাঃ সাইফুল ইমাম, প্রোগ্রাম কনসাল্টটেন্ট মোঃ আলাউদ্দিন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উপজেলা ম্যানেজার শামীম আহাম্মেদ ও সোহেল আহাম্মেদ।

এখন থেকে প্রতি বছর ২০ জন করে ছাত্রী, দেশী বিদেশী নার্সিং পেশায় উজ্জল ভবিষ্যত গড়তে আন্তর্জাতিক মানের ডিপ্লোমা ইন-নাসিং কোর্স করা সুযোগ পাবে। সূত্রঃ মেহেরপুর নিউজ ২৪ ডটকম

চাঁদবিলে হীরক দ্যুতি

প্রথাগত ধারণার বাইরে থেকে, নতুন কিছু করতে ইচ্ছা থাকে অনেকেরই। কিন্তু, কেউ সুযোগ পায়, কেউ পায় না, যারা পায় তারা ভাগ্যবান, কিন্তু যারা নিজের সুযোগ নিজেরা তৈরি করে নেয়, তারা? একমাত্র তাঁরা পারে সমাজকে বদলে দিতে। হোক সেটা ক্ষুদ্র পরিসরে, হোক সেটা বৃহৎ পরিসরে। এইরকম হাটি, হাটি, পা, পা করে এগিয়ে চলা এক স্বউদ্যমী মানুষের নাম মুন্সী জাহাঙ্গীর জিন্নাত। সদালাপী, সদা হাস্যজ্জল, কর্মঠ এই মানুষটি মেহেরপুর জেলার চাঁদবিল গ্রামের ইউনিক সফটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, এটি একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং এবং আইটি অফশোরিং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান (বি. পি. ও) সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।

সূত্রঃ সমকাল